Home / অপরাধ / কাকে বাঁচাতে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে বুয়েটের টালবাহানা

কাকে বাঁচাতে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে বুয়েটের টালবাহানা

আবরার ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) কর্তৃপক্ষ টালবাহানা করছে। শুধু তাই নয়- সাধারণ শিক্ষার্থীদের সিসিটিভি ফুটেজ চাওয়ায় প্রশাসন থেকে শর্ত জুড়ে দিয়ে বলা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখা ছাত্রদের মামলার সাক্ষী হতে হবে। এ কারণে প্রশ্ন উঠেছে- কাকে বাঁচাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রশাসনের এমন আচরণ করছে?

এদিকে এ নিয়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে বুয়েটে। প্রভোস্টের কক্ষে থাকা সিসিটিভি ফুটেজ কেন সরবরাহ করা হচ্ছে এমন প্রশ্নের উত্তর জানতেও অনড় শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে টালবাহানা শুরু করেছে। হল কর্তৃপক্ষ প্রথমে একজন শিক্ষার্থীকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে চায়। এরপর শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকের পর পাঁচজন ছাত্র সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে পারবেন বলে জানা যায়। পাঁচজন শিক্ষার্থী ফুটেজ দেখার জন্য রাজি হলে তাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, যারা ফুটেজটি দেখবেন তাদের মামলার সাক্ষী হতে হবে। শিক্ষার্থীরা এমন দাবির বিপরীতে বলেছেন, দফায় দফায় দর কষাকষি বন্ধ করে সত্যটা বেরিয়ে আসুক।

এদিকে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনায় বুয়েট ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেলকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (৭ অক্টোবর) সকালে তাদের আটক করা হয়। এর আগে ভোরে শের-ই-বাংলা হলের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গা থেকে আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ও তার পরিবার জানায়, তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শের-ই-বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে। কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে তিনি স্কুলজীবন শেষ করে নটরডেম কলেজে পড়েন।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব হোসেন ফাহাদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা ধারণা করছি রাত দুইটা থেকে আড়াইটার দিকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি ভোরে। তার পায়ের উপরে আঘাতের চিহ্ন ছিল। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।

এছাড়া আবরারের কুষ্টিয়ার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। স্থানীয়রা জানান, আবরার তাবলিগে যেতো। কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত নয়। শুধু তাই নয়- আবরারের পুরো পরিবারই ক্ষমতাসীন দলের সমর্থক বলেও জানা গেছে।

আবরারের পরিবারের সদস্যরা মাহবুবুল আলম হানিফের বিভিন্ন প্রোগ্রামেও অংশগ্রহণ করেন বলে জানায় স্থানীয়রা।

সম্পাদনায়- এস.এম. মোশারফ হোসাইন

About News Editor

Check Also

মাধবপুরে বিজিবির হাতে ভারতীয় ফেনসিডিল জব্দ

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগান এলাকা থেকে ১৫২ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল জব্দ করেছে বর্ডার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *