Powered by Viloud

Home / অর্থনীতি / খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বিদ্যুৎ সংযোগের নামে ইউ পি মেম্বার আহসান উল্লাহর অর্থ বাণিজ্য

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বিদ্যুৎ সংযোগের নামে ইউ পি মেম্বার আহসান উল্লাহর অর্থ বাণিজ্য

 

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলার বেলছড়ি ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার আহসান উল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ সংযোগের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ওয়ার্ডের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগের নামে অন্তত  তিন লক্ষাধিক  টাকা আদায় করেছেন বলে অভিযোগকারীদের সাথে আলাপকালে জানা যায়।  এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, পাশের গ্রামে বিদ্যুতের খাম্বা বসেছে এবং  তার লাগানো হচ্ছে। প্রায় দুই বছর আগে টাকা আদায় করলেও এখনো তাদের এলাকায় খাম্বাও আসেনি। তাই টাকা দেয়া মানুষগুলো   দিনে দিনে ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব খেদাছড়া, যুদ্ধকুমার পাড়া, চন্দ্রকাপা, হরিধন মগ পাড়া ও তাইফাপাড়াসহ ৬টি পাড়ার প্রতি পরিবার থেকে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে মেম্বার নিজ হাতে আদায় করেছেন। অন্তত  ২১০ পরিবার থেকে নীতি বহির্ভূতভাবে এসব অর্থ আদায় করেন। তাইফা পাড়ার  বাসিন্দা আনা মিয়া অভিযোগ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী সরকারি নিয়মে এলাকায় বিদ্যুৎ  আসার কথা থাকলেও মেম্বার বিদ্যুতের জন্য টাকা উঠিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। আক্তার হোসেন বলেন, আমরা সকলে মেম্বারকে বিশ্বাস করেছি। বিদ্যুৎ আসলে সবার জন্য ভালো  হবে, ছেলে-মেয়েদের পড়াশোনার সুবিধা হবে। বিদ্যুতের জন্য কোথাও যদি টাকা দিতে হয় তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু সন্দেহ হয়, টাকা অফিসে দিয়েছে নাকি দেয়নি। রূহুল আমীন বলেন, মেম্বার আমাকে টাকা উঠানোর জন্য বলেছে বিভিন্ন সময়ে। একদিন চন্দ্রকাপায় মুনাফের দোকানে মেম্বার আমাকে এ বিষয়ে বললে আমি মেম্বারকে প্রশ্ন করলাম,  আমি টাকা উঠিয়ে আপনাকে দেবো কিন্তু আপনি কি আমার থেকে টাকা নিয়েছেন এরকম কোন কাগজ  আমাকে দেবেন ?বিদ্যুৎ না আসলে মানুষ আমাকে ধরবে। তখনতো আমার উপায় থাকবেনা। মেম্বারের ছোটভাই সোলাইমান বলেন, সবার সাথে কথা বলে টাকা উঠানো হয়েছে। এমনকি পূর্বখেদাছড়া মসজিদের বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য পনের হাজার টাকা  দেয়া হয়েছে। এখানে গোপন কিছু হয়নি। আমার ভাই যাকিছু করেছেন সবকিছু  পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এমরান ডাক্তারের মাধ্যমে করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মেম্বার আহসান উল্লাহ অভিযোগ আংশিক স্বীকার করে বলেন, আমি বারো-তেরো  হাজার টাকা আদায় করেছি কিন্তু  এ খাতে আমি দুই লক্ষাধিক টাকা খরছ করেছি। প্রজেক্টের কর্মকর্তা বদলী হয়ে যাওয়ায় সমস্যা হয়েছে। আমি এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি। শীঘ্রই আমার এলাকার জন্য খাম্বা আসবে বলে আশা করি।

About BD LIVE TV IP

Check Also

দেওয়ানগঞ্জে সমিতির নামে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় একটি সমবায় সমিতির নামে ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়ে যাওয়ায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *